কন্টেন্টে যাও

০০৩৬০৮০১২০১৮

মানুষজনের কাছে দুশ্চিন্তামুক্ত, হাসিখুশি মানুষ হিসেবে পরিচিত হওয়ার সুবিধা ব্যাপক। যখন কথা বলার মতো কাউরে পাওয়া যায় না, তখন দেখা যায়, বাছবিচার ছাড়া সবাই-ই পোটেনশ্যালি কথা বলার মানুষ।

যে কারো সামনে এদিক-ওদিক দু’কান পর্যন্ত হাসি টাইনা ধইরা বইলা ফেলো, “বিরাট কষ্টে আছি ভাই…”, তারপর দুইজন আরেকদফা হাইসা নিয়ে ক্যান্টিনের ঠান্ডা সিংগারায় কামড় বসাও। বি কুউল।

কুউল ড্যুডরে সবাই পছন্দ করে। অপছন্দ করার কারণ নাই কোন। আকর্ণ হাসি সহকারে কাউরে পঁঁচাইয়া ধুইয়া মাটিতে মিশায়ে দাও, সমস্যা নাই। স্টিল, আই লাইক ইউ ড্যুড! শুধু “কেমন আছিস?”-এর উত্তরে শুকনা একটা “ভালো নাই রে…” উত্তর দিলেই যত সমস্যা। দ্যাফাক ড্যুড! এইসব শুনতে ভালো লাগে না!

তবে মানুষজনের কাছে দুশ্চিন্তামুক্ত, হাসিখুশি মানুষ হিসেবে পরিচিত হওয়ার সুবিধা ব্যাপক। এদিক-ওদিক দু’কান পর্যন্ত হাসি টাইনা ধইরা বইলা ফেলো, “কেমন আর থাকমু, মইরা যাইতে মুঞ্চায় মাঝেমইধ্যে!”, তারপর দুইজন আরেকদফা হাইসা নিয়ে জংগলের পথ ধইরা ওয়ান-এইটি ডিগ্রি এঙ্গেলে হাঁটা শুরু করো। বি কুউল।

সুবিধা এইটা যে, মানুষজনের সাথে সিরিয়াসলি-না-নেয়া কেয়ারফ্যুলি ক্রাফটেড রিলেশন থাকলে যে কোন কথা খুব সহজেই বইলা ফেলা যায়। আমার ফ্রেন্ডসার্কেলে অনেক কুউল, সার্কাস্টিক মানুষজন আছে। আই সি ইউ ব্রাদারস এন্ড সিস্টারস… এন্ড মাই হার্ট গোস আউট টু ইউ… 🙂

এমপ্যাথি বড় ভয়ানক জিনিস। আরেকজন কোন জায়গায় দাঁড়ায়ে কি কারণে কিছু করতেছে, বলতেছে সেটা বুঝতে পারার মত প্যাড়া খুব কম আছে। ধুপধাপ কাউরে দোষারোপ করা যায় না। সবাই না হইলেও, অনেকেই আসলে নিজের জায়গায় দাঁড়ায়ে যতটুকু পারতেছে ঠিক জিনিসটা করার চেষ্টা করতেছে, বলার চেষ্টা করতেছে। ধুপধাপ দোষারোপ করা শুরু করলে ব্যাপারটা সহজ, কাউকে খুব সহজেই খারাপ, কেয়ারলেস বইলা চালায় দেয়া যায়। কিন্তু বুঝতে পারাটা ভয়ংকর। সম্পূর্ণ ব্যাপারটা অসম্ভব কষ্টদায়ক। মাঝেমইধ্যে মনে হয় কোন একদিন আমি হয়তো এই এমপ্যাথি ব্যাপারটার জন্য মারা যাবো…

০০৩৬০৮০১২০১৮